shazzadspic
-
shazzadantu GOES HERE
this is the website of real shazzad -
shazzadGOES HERE
DESCRIPTION GOES HERE -
antu GOES HERE
DESCRIPTION GOES HERE -
HEADING-4 GOES HERE
DESCRIPTION GOES HERE -
r u pom gana
hi every body we r pom gana
বুধবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১১
টাকা খরচ না করেই কিভাবে সময় কাটাবেন প্রিয়জনের সাথে!
প্রায় সবার ক্ষেত্রেই দেখা যায় মাসের শেষ সপ্তাহে পকেটের অবস্থা খারাপ হয়ে দাঁড়ায়। তখন প্রিয়জনের সাথে দেখা করা, অথবা তার সাথে বাইরে কথাও ঘুরতে যাওয়া অথবা একসাথে সময় কাটানো একটি কষ্টসাধ্য ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায় বৈকি। বিশেষ করে পুরুষেরা এমন অবস্থায় প্রিয়জনের সাথে সময় কাটাতে খুবি লজ্জাবোধ করেন। তো চলুন দেখা যাক কিভাবে টাকা খরচ না করেই আপনি আপনার প্রিয়জনের সাথে কাটাতে পারেন কিছু মধুর সময়।
সবচেয়ে ভালো হয় আপনার প্রিয় মানুষটিকে এ ব্যাপারে খোলাখুলি জানানো। তার সাথে যদি আপনার সম্পর্কটি গভীর হয় এবং সে যদি আপনাকে সত্যি সত্যি ভালোবাসে তবে টাকা কোন সমস্যা হবার কথা নয়। এবং দেখবেন যে পরবর্তী সময় থেকে সে আপনার খরচ কমানোর চেষ্টা করবে।
রোমান্টিক হতে চেষ্টা করুন। যদিও এটাই একমাত্র সমাধান নয় তবু এটি আপনার পছন্দের মানুষটির প্রতি আপনার ভালোবাসার প্রকাশ ঘটাবে। তাকে নিয়ে হাঁটতে বের হোন, কথা বলুন, রাস্তা থেকে ফুচকা, চটপটি কিনে খান। এইসব ছোটখাটো ব্যাপার আপনার দিনটিকে করে দেবে সার্থক যা আপনি টাকা দিয়ে কখনো কিনতে পারবেন না।
ঘরোয়া পরিবেশে তার সাথে খেলুন লুডু, ক্যারম, দাবা, অথবা ভিডিও গেম। তাকে খুশী করার জন্য খেলায় হারুন ইচ্ছে করে। এতে সময়টাও ভাল কাটবে এবং আপনাকে টাকার ব্যাপারে চিন্তিত থাকতে হবেনা।
আপনার প্রিয়জনের সাথে একসাথে সময় কাটান বাসায়। একসাথে রান্না করুন, সেরে ফেলুন একটি রোমান্টিক ডিনার। এতে আপনাকে টাকাও খরচ করতে হবেনা আবার তার সাথে আপনার সম্পর্ক হবে আরও পোক্ত, আরও মধুর।
রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১১
webdesign
একটি ওয়েবসাইটে তথ্য কিভাবে বিন্যস্ত থাকবে তার উপর ভিত্তি করে দুটি ভাগে ভাগ করা যায় - স্ট্যাটিক (Static) এবং ডাইনামিক (Dynamic) ওয়েবসাইট। স্ট্যাটিক ওয়েবসাইটে ওয়েবসাইটের তথ্য কখনো পরিবর্তন হয় না, অন্যদিকে ডাইনামিক ওয়েবসাইটের তথ্য ব্যবহারকারীর চাহিদার উপর ভিত্তি করে পরিবর্তিত হয়। স্ট্যাটিক ওয়েবসাইটেকে প্রোগ্রামিং এর মাধ্যমে ডাইনামিক ওয়েবসাইটে পরিণত করা হয়। একটি ওয়েবসাইটের ডিজাইন তৈরি করা থেকে শুরু করে এটিকে একটি স্ট্যাটিক ওয়েবসাইটে পরিণত করতে কয়েকটি ধাপ অতিক্রম করতে হয়। একজন সফল ওয়েবসাইট ডিজাইন ফ্রিল্যান্সার হতে হলে কেবল ডিজাইনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে একটি স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট তৈরির অন্যান্য বিষয় যেমন - Template তৈরি, HTML, CSS, Javascript ইত্যাদিতেও দক্ষ হওয়া প্রয়োজন। নিচে পর্যায়ক্রমে বিষয়গুলো আলোকপাত করা হল -
১) টেম্পলেট তৈরি:
ওয়েবসাইটের একটি ডিজাইনকে ওয়েবসাইট টেম্পলেট (Template) বলা হয়। টেম্পলেট সাধারণত Adobe Photoshop, Illustrator, Flash ইত্যাদি সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরি করা হয়। বর্তমানে ওপেন সোর্স ব্যবহারকারীদের কাছে Gimp নামক সফটওয়্যারটিও টেম্পলেট তৈরির জনপ্রিয় একটি টুলে পরিণত হয়েছে। এদের মধ্যে ফটোশপ সফটওয়্যারই সবচেয়ে জনপ্রিয়। অন্যদিকে ফ্লাশ দিয়ে এনিমেটেড ও দৃষ্টিনন্দন ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়। ফ্লাশের কাজেরও ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। ফ্লাশের ActionScript নামক নিজস্ব প্রোগ্রামিং ভাষা আছে। শুধুমাত্র ফ্লাশ দিয়েই সম্পূর্ণ একটি ডাইনামিক ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়। ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এ যারা আসতে আগ্রহী তারা ফটোশপ অথবা ফ্লাশ থেকে যেকোন একটিকে বেছে নিতে পারেন।
একজন ওয়েবসাইট ডিজাইনারের সমসাময়িক ওয়েবসাইটের ডিজাইন সম্পর্কে ভাল ধারণা থাকতে হবে। বর্তমানের বেশিরভাগ ওয়েবসাইটগুলো Web 2.0 নামক একটি স্ট্যান্ডার্ড মেনে চলে। একে দ্বিতীয় প্রজন্মের ওয়েবসাইট ডিজাইনও বলা হয়। সহজভাবে বললে Web 2.0 মানের একটি ওয়েবসাইটির নিচে উল্লেখিত বৈশিষ্ট্যগুলোর কয়েকটি বা সবগুলো থাকতে পারে:
• সাধারণ ও পরিচ্ছন্ন ইন্টারফেস যাতে ওয়েবসাইটের তথ্যগুলো সহজেই পড়া যায়
• মূল ডিজাইন ব্রাউজারের মাঝামাঝি স্থানে অবস্থান করবে, অন্যদিকে অতীতের ওয়েবসাইটগুলো ব্রাউজারের বাম দিকে সরানো থাকত
• ওয়েবপেইজের কলাম সংখ্যা কম থাকবে
• পেইজের উপরের অংশ পরিষ্কারভাবে ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট অংশ থেকে আলাদা থাকবে
• সহজে ব্যবহারযোগ্য নেভিগেশন
• লোগো বোল্ড থাকবে
• লেখাগুলো বড় থাকবে যাতে পড়তে আরামদায়ক হয়
• সূচনা লেখা বোল্ড থাকবে
• বাটন এবং ডিজাইনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে 3D ও Reflection এফেক্ট নিয়ে আসা
• উজ্জ্বল রঙের সংমিশ্রণ
• Gradient বা গাঢ় থেকে হালকা রঙের সমন্বয়
• সুন্দর ও নজরকাড়া আইকন
২) HTML এ রূপান্তর:
একটি ওয়েবপেইজ অক্ষর, ছবি, লিংক ইত্যাদির সমন্বয়ে গঠিত যা HTML নামক একটি ভাষায় লেখা হয়। এটি কোন প্রোগ্রামিং ভাষা নয়, বরং একটি ওয়েবপেইজকে ব্রাউজারে প্রদর্শন করার ডকুমেন্ট ফরমেট। HTML এর উন্নত সংস্করণ হচ্ছে XHTML যা XML নামক আরেকটি ভাষার নিয়ম অনুসরণ করে। HTML বা XHTML এ দক্ষ হতে এক সপ্তাহের বেশি সময় লাগবে হবে না। অনলাইনে অনেক টিউটোরিয়াল সাইট রয়েছে, তবে সবচেয়ে সহজ ও ভাল টিউটোরিয়াল পাওয়া যাবে www.w3schools.com নামক ওয়েবসাইটে।
ফটোশপ দিয়ে তৈরি করা ওয়েবসাইটের টেম্পলেটকে সাধারণত PSD ফরমেটে সেইভ করা হয়। প্রকৃতপক্ষে PSD ফাইলে টেম্পলেটকে সংরক্ষণ করা পর্যন্ত একজন ডিজাইনারের কাজ শেষ হয়ে যায়। তবে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে বাড়তি আয় করতে চাইলে HTML জানাটাও জরুরী। ডিজাইনকে ওয়েবপেইজে রূপান্তর করতে হলে HTML দিয়ে কোডিং করতে হবে। এই রূপান্তরের প্রক্রিয়া ডিজাইন ভেদে ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে। সাধারণত ফটোশপে Slice নামক একটি টুল আছে যা দিয়ে ডিজাইনকে HTML এ রূপান্তর করা যায়। কেবলমাত্র PSD থেকে HTML এ রূপান্তর করার কাজও ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস সাইটগুলোতে পাওয়া যায়।
৩) CSS প্রয়োগ:
CSS হচ্ছে এক ধরনের স্টাইলশীট ভাষা যা দিয়ে একটি ওয়েবসাইটের ডিজাইনকে প্রদর্শন করা হয়। ওয়েবসাইটের ডিজাইনকে সাধারণত HTML ডকুমেন্টে সরাসরি না লিখে আলাদা একটি CSS ফাইলে ভিন্ন ভিন্ন Class তৈরি করা হয়। এরপর HTML ডকুমেন্টে ওই CSS ফাইলের লিংক দেয়া হয় এবং HTML এর বিভিন্ন অংশে বা Tag এ সেই ক্লাসগুলোকে যুক্ত করা হয়। HTML এর একটি নির্দিষ্ট অংশের ফন্ট দেখতে কিরকম হবে, লেখার পেছনে ছবি বা রং কোনটা থাকবে, বর্ডার থাকবে কি না ইত্যাদি স্টাইল সম্পর্কিত নির্দেশনা ক্লাসগুলোতে দেয়া হয়।
CSS দিয়ে HTML ডকুমেন্টে স্টাইল বা ডিজাইন তৈরি করার অনেকগুলো সুবধা রয়েছে। উল্লেখযোগ্য দুটি সুবিধার একটি হচ্ছে, HTML এর বিভিন্ন অংশে বা বিভিন্ন পৃষ্ঠায় খুব সহজে একই স্টাইল দেয়া যায়। অন্য আরেকটি সুবিধা হচ্ছে কেবলমাত্র CSS ফাইলকে পরিবর্তন করে একটি ওয়েবসাইটের চেহারা মুহূর্তের মধ্যে পরিবর্তন করা সম্ভব। CSS এর প্রথমিক ধারণা পেতে কয়েক ঘন্টা সময়ের প্রয়োজন এবং www.w3schools.com সাইটিই যথেষ্ঠ। তবে CSS এ পূর্ণ দখল আনতে কিছুটা সময়ের প্রয়োজন।
৪) Javascript:
জাভাস্ক্রিপ্ট হচ্ছে একটি প্রোগ্রামিং ভাষা যাকে ব্রাউজার সাইড স্ক্রিপ্টিং ভাষা বলা হয়। অন্যদিকে PHP বা ASP হচ্ছে সার্ভার সাইড স্ক্রিপ্টিং ভাষা। জাভাস্ক্রিপ্টের সুবিধা হচ্ছে এটি সরাসরি ব্যবহারকারীর কম্পিউটারের রিসোর্স ব্যবহার করে দ্রুততার সাথে কাজ করে। যা একটি ওয়েবসাইটকে ইউজার ফ্রেন্ডলি করে তোলে। জাভাস্ক্রিপ্টে দক্ষ হতে অবশ্যই ভাল প্রোগ্রামিং জ্ঞানের প্রয়োজন রয়েছে। তবে ডিজাইনাররাও জাভাস্ক্রিপ্টের কিছু সুবিধা গ্রহণ করে ডিজাইনকে আরো প্রাণবন্ত করে তুলতে পারেন। জাভাস্ক্রিপ্ট প্রোগ্রামিংকে সহজ করতে বেশ কিছু ফ্রেমওয়ার্ক বা কোডিং লাইব্রেরি পাওয়া যায়। এগুলোর মধ্য সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে jQuery নামক লাইব্রেরিটি। এটি দিয়ে খুব সহজেই বিভিন্ন ধরনের এনিমেশন, নজরকাড়া এফেক্ট, দরকারী টুল ইত্যাদি তৈরি করা যায়। এটি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাবেন www.jQuery.com ওয়েবসাইট থেকে। jQuery দিয়ে তৈরি অসংখ্য টুল অনলাইনে ফ্রি পাওয়া যায়।
W3Schools Online Web Tutorials
www.w3schools.com
HTML XHTML CSS JavaScript XML XSL ASP SQL ADO VBScript Tutorials References Examples
আপনার সাইটে চ্যাট অপশন যুক্ত করুন
আপনার সাইটে চ্যাট অপশন যুক্ত করুন
ডিসেম্বর ১০, ২০১১ মন্তব্য নেই ৩০ বার পঠিত
সাধারণত প্রতিটা সাইট এর বেশির ভাগই বানানো হয়ে থাকে Blogspot বা WordPress দ্বারা। আপনাদের জন্য আজকে Blogspot সাইটে কিভাবে চ্যাট অপশন যুক্ত করবেন তা দেখিয়ে দিলাম।
আপনি গুগলি দিয়ে সাইট বানানো মানেই আপনার একটি জিমেল আইডি রয়েছে। আপনার জিমেইল আইডি দিয়ে এই সাইটে গিয়ে লগিন করুন>> “চ্যাট অপশন যুক্ত করুন”
লগিন করার পর আপনি নিচের পিকের মতন আপনার টাইটেল,নিক নাম এবং স্টাইল ঠিক করে দিন। অতঃপর Update badge দিয়ে দিন। তাহলে নিচে একটি হটমেইল কোড আসবে, কোডটি কপি করুন।
এবারের কাজ আরো সহজ, মূল কথা সবটাই সহজ। তাই আর স্ক্রীনশর্ট দিয়ে দেখানোর প্রয়োজন কমে করিনি।>>>>
আপনার ব্লগ/সাইটে প্রবেশ করুন
ড্যাশবোর্ড থেকে ডিজাইন এ যান
এবার মেনু যেভাবে উইজেট বসান ঠিক সেভাবেই একটি Text পেজ নিন
পেজের মধ্যে কপি করা হটমেইল কোড টি দিয়ে সেভ করে দিন।
সর্বশেষ আপনার সাইটে গিয়ে দেখুন চ্যাট বার যোগ হয়ে গেছে।
chat option
<iframe src="http://www.google.com/talk/service/badge/Show?tk=z01q6amlqqpvdtmlgq3fhdjm997u2md6nvfic347nn6s0ja9rgqh07lasrf382227svtre2pkn5l8tbe9th95hbhc2v1cnc839baunq4hc2qpfp1rmu80r5j24br1gmtmosk20rr0v8nu8094gf0q2n7q5s8tt7p9ipvekcbe&w=200&h=60" allowtransparency="true" frameborder="0" height="60" width="200"></iframe>
মঙ্গলবার, ১৬ আগস্ট, ২০১১
সত্যি কাহিনী -
সত্যি কাহিনী - ( পবঁ ২ )
।। আরেকটি কবরস্থানের রহস্য ।।
আমার এক বড় ভাই একদিন গ্রামের ঐতিয্যবাহী বলি খেলা দেখে বাড়ি ফিরছিলেন।। রাত তখন ২.৩০ এর মত হবে।। তাদের বাড়ি থেকে একটু পশ্চিম দিকে একটা সামাজিক কবরস্থান আছে।। সেখানে গ্রামের অনেকেরই কবর আছে।। তিনি আসতে আসতে কবরস্থানের কাছে চলে আসলেন ।। তখন হটাত কেনও যেন তার খুব ভয় লাগলো।। তিনি একটা কবরের কাছে ভয়ে দাড়িয়ে গেলেন।। এমন সময় তিনি কোরান পড়ার আওয়াজ শুনতে পেলেন।। তিনি খেয়াল করলেন মসজিদের হূজুরের গলা।। তিনি সাহস করে উকি মেরে হুজুরকে দেখে কবরস্থানে উঠলেন।। গিয়ে হুজুরের পাশ দিয়ে বসলেন।। হুজুর তাকে বললেন, “এতো রাতেএখানে কেনো আসছো??” তিনি বললেন, “আমি বলি খেলা দেখে আসতেছি।। কিন্তু কবরস্থানের পর্যন্ত আসার পর আমার ভয় করতেছে।। আপনাকে দেখে উঠে এলাম।।” হুজুর বললেন, “যাও তুমি বাড়ি চলে যাও।।” তিনি বললেন, “আমার ভয় করে!! আপনি যদি একটু দিয়ে আসেন।।” হুজুর রজি হলেন এগিয়ে দিতে।। দুজন মিলে রাতের অন্ধকারে চলতে লাগলেন।। একটু আসার পরে হুজুর বললেন, “যাও এবার চলে যাও।।” ভাইয়া বললেন, “আর একটু যদি আসতেন।।” এই ভাবে হুজুর তাকে বাড়ি পর্যন্ত নিয়ে গেলো।। তিনি তার মাকে ডেকে বললেন, “তাড়াতারি দরজা খুলেন।। হুজুর আসছে!!” তার মা হুজুরকে নিয়ে ঘরে আসতে বললো।। তিনি পিছন ফিরে দেখেন হুজুর নাই।। পরের দিন তিনি হুজুরকে গিয়ে বললেন, “হুজুর, কাল রাতে আমাকে দিয়ে আসার জ্ন্য আপনি আমাদের বাড়িতে গেছেন।। কিন্তু ঘরে যাননি কেন?? আম্মা খুব রাগ করেছে।।” শুনে হুজুর যেন আকাশ থেকে পড়লেন।। বললেন, “কই আমিতো কাল আমার বাড়িতে ছিলাম।। বাড়ি থেকে রাতের বেলা বেরই হইনি।।” তখন তিনি হুজুরকে সব খুলে বললেন।। এরপর কবরস্থানটির চারদিকে দেয়াল করে ঘিরে দেওয়া হল যাতে কেউ অযূ ছাড়া উঠতে না পারে।।
সত্যি কাহিনী - ( পবঁ ৩ )
।। ২ টি অদ্ভুত ঘটনা ।।
এটা আমার নানু বাড়ির ঘটনা।। নানু বাড়িতে একটা পাগল ধরনের লোক থাকতো।। সে সবসময় একটু এলোমেলো থাকতে পছন্দ করতো।। একদিন দুপুরে সে মসজিদে গিয়ে বসে পড়ে।। কিছুক্ষণ বসে থাকতে থাকতে তার ঘুম চলে আসে এবং এক পর্যায়ে সে ঘুমিয়ে যায়।। ঘুম ভেঙ্গে যায় প্রচণ্ড জোরে এক থাপ্পর খেয়ে।। সে চোখ খুলেই “কে কে” বলে চিৎকার করে উঠে।। সাথে সাথে আবারো থাপ্পর।। কে যে থাপ্পর দিচ্ছে তা সে খুঁজে পাচ্ছে নাহ।। হটাৎ সে একটা আওয়াজ শুনতে পায়।। তাকে উদ্দেশ্য করে বলছে, “এই রকম অপবিত্র শরীর নিয়ে কখনো মসজিদে প্রবেশ করবে নাহ, আর মসজিদে ঘুমাবে নাহ।।” এটা শুনে সে তো ভয়েই দৌড়।। আমার নানু গ্রামের চেয়ারম্যান ছিলেন।। নানু বাড়িতে এসে পাগলটা সব ঘটনা খুলে বলল।। পাগল মানুষ বলে কেউ ওর কথা প্রথমে বিশ্বাস করেনি।। কিন্তু ভালো করে লক্ষ্য করতেই দেখা গেলো গালে সত্যি সত্যি থাপ্পরের বড় বড় দাগ।।
আরেকটি ঘটনা এরকম।। প্রতি বৃহস্পতিবার বিকেলে এক বিশাল আকৃতির কুকুর এসে উঠোনে চুপচাপ বসে থাকতো।। সন্ধার পর সে গায়েব হয়ে যেত।। আঁতিপাঁতি করে খুঁজেও তাকে কোথায় পাওয়া যেত না।। আশেপাশের গ্রামে অনেক খোঁজ খবর করা হয় কিন্তু তারা কেউই সেই বিশাল আকৃতির কালো কুকুরটা সম্পর্কে কোন ধারণা দিতে পারলো নাহ।। সে প্রতি সপ্তাহেই ঐ একদিনই আসতে, চুপচাপ বসে থাকতো এবং সন্ধার পর যেনও ঠিক হাওয়ায় মিলিয়ে যেত।। কুকুরটার রহস্য আজও কেও বের করতে পারেনি।।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)



